মুকসুদপুর    বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
দৈনিক নতুন আলো
আপডেট : শুক্রবার, ১৪ আগস্ট ২০২৬

সম্পাদকীয়

কোরবানির পশুতে স্বনির্ভরতা: গ্রামীণ অর্থনীতির নীরব বিপ্লব ও টেকসই ভবিষ্যতের ভাবনা

কোরবানির পশুতে স্বনির্ভরতা: গ্রামীণ অর্থনীতির নীরব বিপ্লব ও টেকসই ভবিষ্যতের ভাবনা
দেশে যে নীরব অর্থনৈতিক বিপ্লব চলছে, কোরবানির পশুতে স্বনির্ভরতা তারই উদাহরণ। ছবি: সংগৃহীত

​বাংলাদেশের গ্রামীণ অর্থনীতির গতিপ্রকৃতি যারা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করেন, তাদের কাছে বিগত এক দশকের সবচেয়ে বড় বিস্ময়কর সাফল্যটি দৃশ্যমান হবে কোরবানির পশুর হাটে। একসময় কোরবানির ঈদ এলেই দেশের অর্থনীতি ও সীমান্তজুড়ে যে পরনির্ভরশীলতার উদ্বিগ্নে ভরা চিত্র দেখা যেত, আজ তা সম্পূর্ণ অতীত। আমাদের গ্রামীণ খামারি ও প্রান্তিক যুবকদের কঠোর পরিশ্রমে বাংলাদেশ আজ কোরবানির পশু উৎপাদনে কেবল স্বয়ংসম্পূর্ণই নয়, বরং উদ্বৃত্ত উৎপাদনের এক অভাবনীয় মাইলফলক স্পর্শ করেছে। 

২০২৫ সালের কোরবানির ঈদে প্রায় ৯১ লাখ পশু কোরবানি হওয়ার পরও বাজারে প্রায় ৩৩ লাখ পশু অবিক্রীত থেকে যাওয়া—আমাদের অভ্যন্তরীণ উৎপাদন সক্ষমতারই এক অকাট্য দলিল। এই রূপান্তর কেবল প্রাণিসম্পদ খাতের কোনো বিচ্ছিন্ন পরিসংখ্যান নয়, এটি আমাদের গ্রামীণ জনপদে নারী ও যুবকদের হাত ধরে ঘটে যাওয়া এক নীরব অর্থনৈতিক ও সামাজিক বিপ্লব।

​বিদেশি পশুর ওপর নির্ভরতা শূন্যের কোঠায় নেমে আসায় প্রতিবছর যে হাজার হাজার কোটি টাকা দেশের বাইরে চলে যেত, তা এখন আমাদের গ্রামীণ অর্থনীতির ভেতরেই আবর্তিত হচ্ছে। পশুখাদ্য উৎপাদন, পরিবহন, চিকিৎসা, হাট ইজারা থেকে শুরু করে মৌসুমি শ্রমিকদের কর্মসংস্থান—সব মিলিয়ে কোরবানিকে কেন্দ্র করে দেশের প্রান্তিক পর্যায়ে যে বিপুল নগদ অর্থের প্রবাহ তৈরি হয়, তা সামগ্রিক অভ্যন্তরীণ বাজারকে চাঙা রাখছে। জাতীয় জিডিপিতে এই খাতের অবদান আজ অনস্বীকার্য। তবে, সম্পাদকীয় দৃষ্টিকোণ থেকে আমরা মনে করি, এই বিশাল অর্জনকে টেকসই রূপ দিতে হলে বর্তমানের কিছু গভীর ও কাঠামোগত সংকটকে কোনোভাবেই আড়াল করার সুযোগ নেই।

​উৎপাদনের এই চোখধাঁধানো সাফল্যের উল্টো পিঠে রয়েছে খামারিদের টিকে থাকার নির্মম সংগ্রাম। পশুখাদ্যের লাগামহীন মূল্যবৃদ্ধি এবং মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য এই খাতের ভবিষ্যৎ সম্ভাবনাকে প্রতিনিয়ত বাধাগ্রস্ত করছে।

​সংকটের বহুমাত্রিক রূপ ও মাঠপর্যায়ের বাস্তবতা :

​আজ দেশের খামারিদের সবচেয়ে বড় উদ্বেগের কারণ উৎপাদন খরচের লাগামহীন ঊর্ধ্বগতি। ভুট্টা, খৈল ও খড়ের মতো অতি প্রয়োজনীয় পশুখাদ্যের দাম যেভাবে বাড়ছে, তাতে পশুর লালন-পালন দিন দিন সাধারণ খামারিদের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে। এর ওপর যোগ হয়েছে প্রাতিষ্ঠানিক অর্থায়নের চরম সংকট। দেশের সিংহভাগ ক্ষুদ্র খামারি সহজ শর্তে ব্যাংকঋণ পান না, যার ফলে চড়া সুদে দাদন বা এনজিওর ওপর নির্ভর করতে গিয়ে অনেকেই ঋণের জালে আটকে পড়ছেন।

​সবচেয়ে বড় অসংগতি দৃশ্যমান হয় আমাদের বাজার ব্যবস্থাপনায়। কোরবানির হাটে সিন্ডিকেট ও মধ্যস্বত্বভোগীদের সক্রিয়তার কারণে মাঠপর্যায়ের প্রান্তিক খামারিরা মাথার ঘাম পায়ে ফেলে পশু উৎপাদন করেও ন্যায্যমূল্য থেকে বঞ্চিত হন, অথচ সাধারণ ভোক্তাকে চড়া দামে পশু কিনতে হয়। করোনাকালে ডিজিটাল হাটের যে উজ্জ্বল সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল, নীতিগত ধারাবাহিকতার অভাবে তা এখনো দেশব্যাপী প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পায়নি। এর পাশাপাশি জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে আকস্মিক বন্যা ও তাপদাহ চরাঞ্চল ও উপকূলীয় খামারিদের প্রতিনিয়ত বড় ধরনের ঝুঁকির মুখে ফেলছে।

​আমাদের সুপারিশ ও টেকসই ভবিষ্যতের রোডম্যাপ :

​কোরবানির পশুর এই স্বনির্ভরতাকে একটি স্থায়ী ও বৈশ্বিক মানে উন্নীত করতে হলে সরকারকে এখনই দীর্ঘমেয়াদি ও সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে :

​সহজ অর্থায়ন ও বিমা নীতি : ক্ষুদ্র ও মাঝারি খামারিদের জন্য আমলাতান্ত্রিক জটিলতামুক্ত স্বল্প সুদে ঋণের বিশেষ তহবিল গঠন করতে হবে। একই সঙ্গে, মহামারি বা প্রাকৃতিক দুর্যোগের ক্ষতি থেকে খামারিদের সুরক্ষা দিতে কার্যকর পশুবিমার রূপরেখা প্রণয়ন জরুরি।

​বিকল্প খাদ্যের সম্প্রসারণ : বাণিজ্যিক খাদ্যের ওপর নির্ভরতা কমাতে দেশের পতিত জমি, রাস্তার পাশ ও চরাঞ্চলে উন্নত জাতের নেপিয়ার বা হাইব্রিড ঘাস চাষে খামারিদের উদ্বুদ্ধ ও কারিগরি সহায়তা দিতে হবে।

​স্মার্ট হাট ও সিন্ডিকেট নির্মূল : প্রান্তিক খামারিরা যাতে সরাসরি ক্রেতার কাছে পৌঁছাতে পারেন, সেজন্য জেলা-উপজেলা পর্যায়ে সরকারি উদ্যোগে স্মার্ট হাট ও অনলাইন প্ল্যাটফর্মের পরিধি বাড়াতে হবে। হাটের চাঁদাবাজি ও কৃত্রিম সংকট তৈরিকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত কঠোরতা কাম্য।

​চামড়াশিল্পের জাতীয় বিপর্যয় রোধ : প্রতিবছর কোরবানির কাঁচা চামড়ার বাজার যেভাবে ধসে পড়ে, তা জাতীয় অর্থনীতির জন্য এক বড় অপচয়। সঠিক সংরক্ষণ, লবণের জোগান ও ট্যানারি শিল্পের আধুনিকায়ন নিশ্চিত করে চামড়াশিল্পের ন্যায্যমূল্য ফিরিয়ে আনা না গেলে কোরবানির অর্থনীতির এই ভ্যালু চেইনটি অপূর্ণই থেকে যাবে।

​আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, কোরবানির পশুতে বাংলাদেশের এই আত্মনির্ভরশীলতা আমাদের জাতীয় সক্ষমতার এক অনন্য প্রতীক। গ্রামীণ খামারিরা তাদের দায়িত্ব পালন করেছেন, এখন রাষ্ট্র ও নীতিনির্ধারকদের দায়িত্ব এর সুরক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া। এই অমিত সম্ভাবনাময় খাতটিকে যদি আমরা সঠিক নীতি ও আধুনিক প্রযুক্তির ফ্রেমে বাঁধতে পারি, তবে ভবিষ্যতে অভ্যন্তরীণ চাহিদা মিটিয়ে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক বাজারে হালাল মাংস ও প্রক্রিয়াজাত চামড়া রপ্তানির এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে—এটাই আমাদের প্রত্যাশা।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক নতুন আলো

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬


কোরবানির পশুতে স্বনির্ভরতা: গ্রামীণ অর্থনীতির নীরব বিপ্লব ও টেকসই ভবিষ্যতের ভাবনা

প্রকাশের তারিখ : ২৯ মে ২০২৬

featured Image

​বাংলাদেশের গ্রামীণ অর্থনীতির গতিপ্রকৃতি যারা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করেন, তাদের কাছে বিগত এক দশকের সবচেয়ে বড় বিস্ময়কর সাফল্যটি দৃশ্যমান হবে কোরবানির পশুর হাটে। একসময় কোরবানির ঈদ এলেই দেশের অর্থনীতি ও সীমান্তজুড়ে যে পরনির্ভরশীলতার উদ্বিগ্নে ভরা চিত্র দেখা যেত, আজ তা সম্পূর্ণ অতীত। আমাদের গ্রামীণ খামারি ও প্রান্তিক যুবকদের কঠোর পরিশ্রমে বাংলাদেশ আজ কোরবানির পশু উৎপাদনে কেবল স্বয়ংসম্পূর্ণই নয়, বরং উদ্বৃত্ত উৎপাদনের এক অভাবনীয় মাইলফলক স্পর্শ করেছে। 

২০২৫ সালের কোরবানির ঈদে প্রায় ৯১ লাখ পশু কোরবানি হওয়ার পরও বাজারে প্রায় ৩৩ লাখ পশু অবিক্রীত থেকে যাওয়া—আমাদের অভ্যন্তরীণ উৎপাদন সক্ষমতারই এক অকাট্য দলিল। এই রূপান্তর কেবল প্রাণিসম্পদ খাতের কোনো বিচ্ছিন্ন পরিসংখ্যান নয়, এটি আমাদের গ্রামীণ জনপদে নারী ও যুবকদের হাত ধরে ঘটে যাওয়া এক নীরব অর্থনৈতিক ও সামাজিক বিপ্লব।

​বিদেশি পশুর ওপর নির্ভরতা শূন্যের কোঠায় নেমে আসায় প্রতিবছর যে হাজার হাজার কোটি টাকা দেশের বাইরে চলে যেত, তা এখন আমাদের গ্রামীণ অর্থনীতির ভেতরেই আবর্তিত হচ্ছে। পশুখাদ্য উৎপাদন, পরিবহন, চিকিৎসা, হাট ইজারা থেকে শুরু করে মৌসুমি শ্রমিকদের কর্মসংস্থান—সব মিলিয়ে কোরবানিকে কেন্দ্র করে দেশের প্রান্তিক পর্যায়ে যে বিপুল নগদ অর্থের প্রবাহ তৈরি হয়, তা সামগ্রিক অভ্যন্তরীণ বাজারকে চাঙা রাখছে। জাতীয় জিডিপিতে এই খাতের অবদান আজ অনস্বীকার্য। তবে, সম্পাদকীয় দৃষ্টিকোণ থেকে আমরা মনে করি, এই বিশাল অর্জনকে টেকসই রূপ দিতে হলে বর্তমানের কিছু গভীর ও কাঠামোগত সংকটকে কোনোভাবেই আড়াল করার সুযোগ নেই।

​উৎপাদনের এই চোখধাঁধানো সাফল্যের উল্টো পিঠে রয়েছে খামারিদের টিকে থাকার নির্মম সংগ্রাম। পশুখাদ্যের লাগামহীন মূল্যবৃদ্ধি এবং মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য এই খাতের ভবিষ্যৎ সম্ভাবনাকে প্রতিনিয়ত বাধাগ্রস্ত করছে।

​সংকটের বহুমাত্রিক রূপ ও মাঠপর্যায়ের বাস্তবতা :

​আজ দেশের খামারিদের সবচেয়ে বড় উদ্বেগের কারণ উৎপাদন খরচের লাগামহীন ঊর্ধ্বগতি। ভুট্টা, খৈল ও খড়ের মতো অতি প্রয়োজনীয় পশুখাদ্যের দাম যেভাবে বাড়ছে, তাতে পশুর লালন-পালন দিন দিন সাধারণ খামারিদের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে। এর ওপর যোগ হয়েছে প্রাতিষ্ঠানিক অর্থায়নের চরম সংকট। দেশের সিংহভাগ ক্ষুদ্র খামারি সহজ শর্তে ব্যাংকঋণ পান না, যার ফলে চড়া সুদে দাদন বা এনজিওর ওপর নির্ভর করতে গিয়ে অনেকেই ঋণের জালে আটকে পড়ছেন।

​সবচেয়ে বড় অসংগতি দৃশ্যমান হয় আমাদের বাজার ব্যবস্থাপনায়। কোরবানির হাটে সিন্ডিকেট ও মধ্যস্বত্বভোগীদের সক্রিয়তার কারণে মাঠপর্যায়ের প্রান্তিক খামারিরা মাথার ঘাম পায়ে ফেলে পশু উৎপাদন করেও ন্যায্যমূল্য থেকে বঞ্চিত হন, অথচ সাধারণ ভোক্তাকে চড়া দামে পশু কিনতে হয়। করোনাকালে ডিজিটাল হাটের যে উজ্জ্বল সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল, নীতিগত ধারাবাহিকতার অভাবে তা এখনো দেশব্যাপী প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পায়নি। এর পাশাপাশি জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে আকস্মিক বন্যা ও তাপদাহ চরাঞ্চল ও উপকূলীয় খামারিদের প্রতিনিয়ত বড় ধরনের ঝুঁকির মুখে ফেলছে।

​আমাদের সুপারিশ ও টেকসই ভবিষ্যতের রোডম্যাপ :

​কোরবানির পশুর এই স্বনির্ভরতাকে একটি স্থায়ী ও বৈশ্বিক মানে উন্নীত করতে হলে সরকারকে এখনই দীর্ঘমেয়াদি ও সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে :

​সহজ অর্থায়ন ও বিমা নীতি : ক্ষুদ্র ও মাঝারি খামারিদের জন্য আমলাতান্ত্রিক জটিলতামুক্ত স্বল্প সুদে ঋণের বিশেষ তহবিল গঠন করতে হবে। একই সঙ্গে, মহামারি বা প্রাকৃতিক দুর্যোগের ক্ষতি থেকে খামারিদের সুরক্ষা দিতে কার্যকর পশুবিমার রূপরেখা প্রণয়ন জরুরি।

​বিকল্প খাদ্যের সম্প্রসারণ : বাণিজ্যিক খাদ্যের ওপর নির্ভরতা কমাতে দেশের পতিত জমি, রাস্তার পাশ ও চরাঞ্চলে উন্নত জাতের নেপিয়ার বা হাইব্রিড ঘাস চাষে খামারিদের উদ্বুদ্ধ ও কারিগরি সহায়তা দিতে হবে।

​স্মার্ট হাট ও সিন্ডিকেট নির্মূল : প্রান্তিক খামারিরা যাতে সরাসরি ক্রেতার কাছে পৌঁছাতে পারেন, সেজন্য জেলা-উপজেলা পর্যায়ে সরকারি উদ্যোগে স্মার্ট হাট ও অনলাইন প্ল্যাটফর্মের পরিধি বাড়াতে হবে। হাটের চাঁদাবাজি ও কৃত্রিম সংকট তৈরিকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত কঠোরতা কাম্য।

​চামড়াশিল্পের জাতীয় বিপর্যয় রোধ : প্রতিবছর কোরবানির কাঁচা চামড়ার বাজার যেভাবে ধসে পড়ে, তা জাতীয় অর্থনীতির জন্য এক বড় অপচয়। সঠিক সংরক্ষণ, লবণের জোগান ও ট্যানারি শিল্পের আধুনিকায়ন নিশ্চিত করে চামড়াশিল্পের ন্যায্যমূল্য ফিরিয়ে আনা না গেলে কোরবানির অর্থনীতির এই ভ্যালু চেইনটি অপূর্ণই থেকে যাবে।

​আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, কোরবানির পশুতে বাংলাদেশের এই আত্মনির্ভরশীলতা আমাদের জাতীয় সক্ষমতার এক অনন্য প্রতীক। গ্রামীণ খামারিরা তাদের দায়িত্ব পালন করেছেন, এখন রাষ্ট্র ও নীতিনির্ধারকদের দায়িত্ব এর সুরক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া। এই অমিত সম্ভাবনাময় খাতটিকে যদি আমরা সঠিক নীতি ও আধুনিক প্রযুক্তির ফ্রেমে বাঁধতে পারি, তবে ভবিষ্যতে অভ্যন্তরীণ চাহিদা মিটিয়ে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক বাজারে হালাল মাংস ও প্রক্রিয়াজাত চামড়া রপ্তানির এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে—এটাই আমাদের প্রত্যাশা।


দৈনিক নতুন আলো

প্রকাশক : সাদিয়া নূর পূর্ণ
সম্পাদক : নাহিদ হোসেন
নির্বাহী সম্পাদক : মোঃ ছিরু মিয়া

কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত দৈনিক নতুন আলো