সাংবাদিকতার নৈতিকতা, পেশাগত নিরপেক্ষতা ও স্বাধীন গণমাধ্যমের মর্যাদা বজায় রাখার স্বার্থে গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক কমিটির পদ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে ও স্বেচ্ছায় পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন মুকসুদপুর রিপোর্টার্স ইউনিটের সভাপতি ও সাংবাদিক মোঃ তারিকুল ইসলাম।
বুধবার (২৯ জুলাই) গণমাধ্যমে লিখিত প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে তিনি এই পদত্যাগের সিদ্ধান্ত সর্বসাধারণ ও সংবাদকর্মীদের উদ্দেশ্যে নিশ্চিত করেন।
লিখিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে তারিকুল ইসলাম জানান, তিনি দীর্ঘদিন ধরে অত্যন্ত নিষ্ঠা ও সততার সঙ্গে সাংবাদিকতা পেশার সাথে যুক্ত আছেন। তিনি মনে করেন, একজন পেশাদার সাংবাদিকের প্রধান দায়িত্ব হলো সমাজের বস্তুনিষ্ঠ তথ্য প্রকাশ করা এবং কোনো ধরনের পক্ষপাত ছাড়া সততার সাথে সংবাদ পরিবেশন করা।
তিনি উল্লেখ করেন, সাংবাদিকতার নৈতিকতা, সামাজিক দায়বদ্ধতা, পেশাগত নিরপেক্ষতা এবং বস্তুনিষ্ঠতা বজায় রাখার স্বার্থে কোনো সক্রিয় রাজনৈতিক দলের সাংগঠনিক পদে বহাল থাকা মোটেও সমীচীন নয়। নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার মর্যাদা অক্ষুণ্ণ রাখতে এবং সকল বিতর্কের ঊর্ধ্বে উঠে স্বাধীনভাবে কাজ করতেই আমি মুকসুদপুর উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য পদ থেকে স্বেচ্ছায় পদত্যাগের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছি।
তারিকুল ইসলামের এই পদত্যাগের খবর প্রকাশের পর মুকসুদপুর উপজেলার গণমাধ্যমকর্মী ও স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক ইতিবাচক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় প্রবীণ সাংবাদিকেরা তাঁর এই সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ জানিয়েছেন। তাঁদের মতে, বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন ও পেশাগত সততা বজায় রাখতে রাজনৈতিক পদ ত্যাগ করা একটি অত্যন্ত দায়িত্বশীল ও প্রশংসনীয় দৃষ্টান্ত। এটি তরুণ সাংবাদিকদের পেশাগত নিরপেক্ষতার প্রতি অনুরাগী হতে উৎসাহিত করবে।
এছাড়াও তারিকুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, ভবিষ্যতে তিনি কোনো দলের রাজনৈতিক পরিচয়ের সাথে যুক্ত না থেকে সম্পূর্ণ স্বাধীন, নিরপেক্ষ ও নৈতিক সাংবাদিকতার নীতি মেনে দেশ ও জাতির সেবায় নিজেকে নিয়োজিত রাখবেন। বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে সমাজের অনিয়ম ও মানুষের ভোগান্তির কথা তুলে ধরাই হবে তাঁর একমাত্র লক্ষ্য।
এ বিষয়ে জানতে স্থানীয় যুবলীগের দায়িত্বশীল নেতাদের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁদের পাওয়া যায়নি। ফলে এ বিষয়ে তাঁদের কোনো মন্তব্য বা প্রতিক্রিয়া জানা সম্ভব হয়নি। তবে স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীদের আশা, এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে মুকসুদপুরে নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার চর্চা আরও সুদৃঢ় হবে।

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ জুলাই ২০২৬
সাংবাদিকতার নৈতিকতা, পেশাগত নিরপেক্ষতা ও স্বাধীন গণমাধ্যমের মর্যাদা বজায় রাখার স্বার্থে গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক কমিটির পদ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে ও স্বেচ্ছায় পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন মুকসুদপুর রিপোর্টার্স ইউনিটের সভাপতি ও সাংবাদিক মোঃ তারিকুল ইসলাম।
বুধবার (২৯ জুলাই) গণমাধ্যমে লিখিত প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে তিনি এই পদত্যাগের সিদ্ধান্ত সর্বসাধারণ ও সংবাদকর্মীদের উদ্দেশ্যে নিশ্চিত করেন।
লিখিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে তারিকুল ইসলাম জানান, তিনি দীর্ঘদিন ধরে অত্যন্ত নিষ্ঠা ও সততার সঙ্গে সাংবাদিকতা পেশার সাথে যুক্ত আছেন। তিনি মনে করেন, একজন পেশাদার সাংবাদিকের প্রধান দায়িত্ব হলো সমাজের বস্তুনিষ্ঠ তথ্য প্রকাশ করা এবং কোনো ধরনের পক্ষপাত ছাড়া সততার সাথে সংবাদ পরিবেশন করা।
তিনি উল্লেখ করেন, সাংবাদিকতার নৈতিকতা, সামাজিক দায়বদ্ধতা, পেশাগত নিরপেক্ষতা এবং বস্তুনিষ্ঠতা বজায় রাখার স্বার্থে কোনো সক্রিয় রাজনৈতিক দলের সাংগঠনিক পদে বহাল থাকা মোটেও সমীচীন নয়। নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার মর্যাদা অক্ষুণ্ণ রাখতে এবং সকল বিতর্কের ঊর্ধ্বে উঠে স্বাধীনভাবে কাজ করতেই আমি মুকসুদপুর উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য পদ থেকে স্বেচ্ছায় পদত্যাগের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছি।
তারিকুল ইসলামের এই পদত্যাগের খবর প্রকাশের পর মুকসুদপুর উপজেলার গণমাধ্যমকর্মী ও স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক ইতিবাচক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় প্রবীণ সাংবাদিকেরা তাঁর এই সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ জানিয়েছেন। তাঁদের মতে, বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন ও পেশাগত সততা বজায় রাখতে রাজনৈতিক পদ ত্যাগ করা একটি অত্যন্ত দায়িত্বশীল ও প্রশংসনীয় দৃষ্টান্ত। এটি তরুণ সাংবাদিকদের পেশাগত নিরপেক্ষতার প্রতি অনুরাগী হতে উৎসাহিত করবে।
এছাড়াও তারিকুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, ভবিষ্যতে তিনি কোনো দলের রাজনৈতিক পরিচয়ের সাথে যুক্ত না থেকে সম্পূর্ণ স্বাধীন, নিরপেক্ষ ও নৈতিক সাংবাদিকতার নীতি মেনে দেশ ও জাতির সেবায় নিজেকে নিয়োজিত রাখবেন। বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে সমাজের অনিয়ম ও মানুষের ভোগান্তির কথা তুলে ধরাই হবে তাঁর একমাত্র লক্ষ্য।
এ বিষয়ে জানতে স্থানীয় যুবলীগের দায়িত্বশীল নেতাদের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁদের পাওয়া যায়নি। ফলে এ বিষয়ে তাঁদের কোনো মন্তব্য বা প্রতিক্রিয়া জানা সম্ভব হয়নি। তবে স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীদের আশা, এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে মুকসুদপুরে নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার চর্চা আরও সুদৃঢ় হবে।

আপনার মতামত লিখুন