মুকসুদপুর    বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
দৈনিক নতুন আলো
প্রকাশ : সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬

গোপালগঞ্জ পুলিশ লাইন্সে মাস্টার প্যারেড ও কল্যাণসভা অনুষ্ঠিত

গোপালগঞ্জ পুলিশ লাইন্সে মাস্টার প্যারেড ও কল্যাণসভা অনুষ্ঠিত

কোটালীপাড়া ও টুঙ্গিপাড়ায় দুর্গোৎসবের প্রস্তুতি: সম্প্রীতি বজায় রাখার আহ্বান

কোটালীপাড়া ও টুঙ্গিপাড়ায় দুর্গোৎসবের প্রস্তুতি: সম্প্রীতি বজায় রাখার আহ্বান

মুকসুদপুরে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত

মুকসুদপুরে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত

কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় পদ্মায় দ্বিতীয় দফায় ভয়াবহ ভাঙন: বিলীন ৫০০ বিঘা আবাদি জমি

কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় পদ্মায় দ্বিতীয় দফায় ভয়াবহ ভাঙন: বিলীন ৫০০ বিঘা আবাদি জমি

গোপালগঞ্জে জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত

গোপালগঞ্জে জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত

ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নে মুকসুদপুরে মাঠ পর্যায়ের সুপারভাইজারদের প্রশিক্ষণ ও ল্যাপটপ প্রদান

ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নে মুকসুদপুরে মাঠ পর্যায়ের সুপারভাইজারদের প্রশিক্ষণ ও ল্যাপটপ প্রদান

মুকসুদপুরে পূজামণ্ডপের নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় মতবিনিময় সভা

মুকসুদপুরে পূজামণ্ডপের নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় মতবিনিময় সভা

মেহেরপুরের গাংনীতে ঘন কুয়াশায় নামল শীতের আমেজ, সড়কে ঝুঁকি নিয়ে চলছে যানবাহন

মেহেরপুরের গাংনীতে ঘন কুয়াশায় নামল শীতের আমেজ, সড়কে ঝুঁকি নিয়ে চলছে যানবাহন

কৃষকের চোখের জলে মিশেছে পাহাড়ি ঢলের পানি

পাহাড়ি ঢলে হালুয়াঘাটে নদীর বাঁধ ভেঙে ৬ গ্রাম প্লাবিত: বোরো ধান ও রবিশস্যের ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা

পাহাড়ি ঢলে হালুয়াঘাটে নদীর বাঁধ ভেঙে ৬ গ্রাম প্লাবিত: বোরো ধান ও রবিশস্যের ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা
ছবি : সংগৃহীত

ভারী বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট উপজেলার গাজীরভিটা ইউনিয়নের অন্তত ছয়টি গ্রামের ফসলের খেত ও ঘরবাড়ি প্লাবিত হয়েছে। বোরারঘাট নদীর ভেঙে যাওয়া বাঁধ দিয়ে প্রবল বেগে পানি ঢোকায় বোরো ধান, ভুট্টা ও বাদামসহ হাজার হাজার একর জমির ফসল এখন পানির নিচে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, গত শুক্রবার রাত থেকে শুরু হওয়া ভারী বৃষ্টিপাতে বোরারঘাট নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পায়। নদীর মধ্য বোয়ালমারা এলাকার প্রায় ২০০-৩০০ মিটার ভাঙা বেড়িবাঁধ দিয়ে পানি ঢুকে পড়ে লোকালয়ে। এতে বোয়ালমারা, মহাজনিকান্দা, পাগলাবাজার, পূর্ব কালিনিকান্দা ও আনচেংগ্রী গ্রাম প্লাবিত হয়। আকস্মিক এই বন্যায় নিচু এলাকার ঘরবাড়িতে পানি ঢুকে পড়ায় অনেক পরিবার প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র নিয়ে উঁচু স্থানে আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছে।

আনচেংগ্রী গ্রামের কৃষক আ. মজিদ আক্ষেপ করে বলেন, “কয়েক দিনের মধ্যেই ধানের ছড়া বের হওয়ার কথা ছিল, কিন্তু সব এখন পানির নিচে। জানি না কী হবে।”

এদিকে স্থানীয় বাসিন্দা সুশান্ত সাংমা অভিযোগ করে বলেন, গারো-অধ্যুষিত এই এলাকাটি কয়েক দশক ধরে উন্নয়নবঞ্চিত। তিনি বলেন, “রাস্তাঘাট বা বেড়িবাঁধের কোনো টেকসই কাজ না হওয়ায় প্রতিবছর কৃষকের স্বপ্ন পাহাড়ি ঢলে বিলীন হয়ে যায়।” স্থানীয় জুয়েল রানা জানান, গত ২ বছর ধরে বাঁধটি ভাঙা থাকলেও তা মেরামত না করায় আজ মসজিদ, কবরস্থান ও বসতবাড়ি হুমকির মুখে।

এ বিষয়ে ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জান্নাত জানান, এলাকাটি তুলনামূলক নিচু হওয়ায় পাহাড়ি ঢলের প্রভাব বেশি পড়েছে। তিনি স্বীকার করেন যে, নদীর ওই অংশে একটি স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ অত্যন্ত জরুরি। দ্রুত বিষয়টি খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।

বিষয় : দৈনিক নতুন আলো গাজীরভিটা ইউনিয়ন পাহাড়ি ঢল হালুয়াঘাট বন্যা পরিস্থিতি

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক নতুন আলো

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬


পাহাড়ি ঢলে হালুয়াঘাটে নদীর বাঁধ ভেঙে ৬ গ্রাম প্লাবিত: বোরো ধান ও রবিশস্যের ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা

প্রকাশের তারিখ : ৩০ মার্চ ২০২৬

featured Image

ভারী বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট উপজেলার গাজীরভিটা ইউনিয়নের অন্তত ছয়টি গ্রামের ফসলের খেত ও ঘরবাড়ি প্লাবিত হয়েছে। বোরারঘাট নদীর ভেঙে যাওয়া বাঁধ দিয়ে প্রবল বেগে পানি ঢোকায় বোরো ধান, ভুট্টা ও বাদামসহ হাজার হাজার একর জমির ফসল এখন পানির নিচে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, গত শুক্রবার রাত থেকে শুরু হওয়া ভারী বৃষ্টিপাতে বোরারঘাট নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পায়। নদীর মধ্য বোয়ালমারা এলাকার প্রায় ২০০-৩০০ মিটার ভাঙা বেড়িবাঁধ দিয়ে পানি ঢুকে পড়ে লোকালয়ে। এতে বোয়ালমারা, মহাজনিকান্দা, পাগলাবাজার, পূর্ব কালিনিকান্দা ও আনচেংগ্রী গ্রাম প্লাবিত হয়। আকস্মিক এই বন্যায় নিচু এলাকার ঘরবাড়িতে পানি ঢুকে পড়ায় অনেক পরিবার প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র নিয়ে উঁচু স্থানে আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছে।

আনচেংগ্রী গ্রামের কৃষক আ. মজিদ আক্ষেপ করে বলেন, “কয়েক দিনের মধ্যেই ধানের ছড়া বের হওয়ার কথা ছিল, কিন্তু সব এখন পানির নিচে। জানি না কী হবে।”

এদিকে স্থানীয় বাসিন্দা সুশান্ত সাংমা অভিযোগ করে বলেন, গারো-অধ্যুষিত এই এলাকাটি কয়েক দশক ধরে উন্নয়নবঞ্চিত। তিনি বলেন, “রাস্তাঘাট বা বেড়িবাঁধের কোনো টেকসই কাজ না হওয়ায় প্রতিবছর কৃষকের স্বপ্ন পাহাড়ি ঢলে বিলীন হয়ে যায়।” স্থানীয় জুয়েল রানা জানান, গত ২ বছর ধরে বাঁধটি ভাঙা থাকলেও তা মেরামত না করায় আজ মসজিদ, কবরস্থান ও বসতবাড়ি হুমকির মুখে।

এ বিষয়ে ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জান্নাত জানান, এলাকাটি তুলনামূলক নিচু হওয়ায় পাহাড়ি ঢলের প্রভাব বেশি পড়েছে। তিনি স্বীকার করেন যে, নদীর ওই অংশে একটি স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ অত্যন্ত জরুরি। দ্রুত বিষয়টি খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।


দৈনিক নতুন আলো

প্রকাশক : সাদিয়া নূর পূর্ণ
সম্পাদক : নাহিদ হোসেন
নির্বাহী সম্পাদক : মোঃ ছিরু মিয়া

কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত দৈনিক নতুন আলো