মুকসুদপুর    বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
দৈনিক নতুন আলো
প্রকাশ : রোববার, ০৫ এপ্রিল ২০২৬

গোপালগঞ্জ পুলিশ লাইন্সে মাস্টার প্যারেড ও কল্যাণসভা অনুষ্ঠিত

গোপালগঞ্জ পুলিশ লাইন্সে মাস্টার প্যারেড ও কল্যাণসভা অনুষ্ঠিত

কোটালীপাড়া ও টুঙ্গিপাড়ায় দুর্গোৎসবের প্রস্তুতি: সম্প্রীতি বজায় রাখার আহ্বান

কোটালীপাড়া ও টুঙ্গিপাড়ায় দুর্গোৎসবের প্রস্তুতি: সম্প্রীতি বজায় রাখার আহ্বান

মুকসুদপুরে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত

মুকসুদপুরে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত

কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় পদ্মায় দ্বিতীয় দফায় ভয়াবহ ভাঙন: বিলীন ৫০০ বিঘা আবাদি জমি

কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় পদ্মায় দ্বিতীয় দফায় ভয়াবহ ভাঙন: বিলীন ৫০০ বিঘা আবাদি জমি

গোপালগঞ্জে জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত

গোপালগঞ্জে জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত

ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নে মুকসুদপুরে মাঠ পর্যায়ের সুপারভাইজারদের প্রশিক্ষণ ও ল্যাপটপ প্রদান

ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নে মুকসুদপুরে মাঠ পর্যায়ের সুপারভাইজারদের প্রশিক্ষণ ও ল্যাপটপ প্রদান

মুকসুদপুরে পূজামণ্ডপের নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় মতবিনিময় সভা

মুকসুদপুরে পূজামণ্ডপের নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় মতবিনিময় সভা

মেহেরপুরের গাংনীতে ঘন কুয়াশায় নামল শীতের আমেজ, সড়কে ঝুঁকি নিয়ে চলছে যানবাহন

মেহেরপুরের গাংনীতে ঘন কুয়াশায় নামল শীতের আমেজ, সড়কে ঝুঁকি নিয়ে চলছে যানবাহন

মাথাভাঙ্গা নদীর ওপর অবহেলায় পড়ে আছে কোটি টাকার সেতু

মেহেরপুর-কুষ্টিয়া সংযোগস্থলে সাত কোটি টাকার সেতু এখন গলার কাঁটা: ৪ বছরেও হয়নি সংযোগ সড়ক

মেহেরপুর-কুষ্টিয়া সংযোগস্থলে সাত কোটি টাকার সেতু এখন গলার কাঁটা: ৪ বছরেও হয়নি সংযোগ সড়ক
মাথাভাঙ্গা নদীর সেতুতে উঠতে সাইকেল চালককে সহায়তা করেন এক পথচারী। ছবি : সংগৃহীত

মেহেরপুরের গাংনী ও কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার সংযোগস্থলে মাথাভাঙ্গা নদীর ওপর নির্মিত একটি আধুনিক গার্ডার সেতু এখন স্থানীয়দের জন্য চরম ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার চার বছর পেরিয়ে গেলেও সংযোগ সড়ক না থাকায় ৭ কোটি ২৯ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই সেতুটি কোনো কাজেই আসছে না দুই জেলার মানুষের।

এলজিইডি গাংনী উপজেলা কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ২০১৯-২০ অর্থবছরে মেহেরপুরের বামন্দী থেকে কুষ্টিয়ার প্রাগপুর জিসি পর্যন্ত সড়কের মাথাভাঙ্গা নদীর ওপর ৭৫ মিটার দৈর্ঘ্যের এই সেতুটি নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারিতে কাজ শুরু হয়ে ২০২৩ সালের মার্চ মাসে নির্মাণকাজ সম্পন্ন করে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ‘মেসার্স কহিনূর অ্যান্ড কফিল এন্টারপ্রাইজ’। কিন্তু এক বছর আগে কাজ শেষ হলেও গাংনী অংশে সংযোগ সড়ক না থাকায় সেতুটি যাতায়াতের অযোগ্য হয়ে পড়ে আছে।


সরেজমিনে দেখা যায়, দৌলতপুর অংশে সংযোগ সড়ক থাকলেও গাংনী অংশে জমি অধিগ্রহণ জটিলতায় কোনো রাস্তা তৈরি হয়নি। ফলে স্থানীয় কৃষকদের উৎপাদিত ফসল বাজারে নিতে বা অসুস্থ রোগীদের হাসপাতালে নিতে প্রায় ৫ কিলোমিটার পথ ঘুরে যাতায়াত করতে হচ্ছে।

স্থানীয় বাসিন্দা মনিরুল ইসলাম ও শমশের আলী জানান, সেতুতে ওঠার রাস্তা নেই, ভ্যান বা সাইকেল ঠেলে তুলতে ৫-৬ জন মানুষ লাগে। বর্ষাকালে কাদা ও পিচ্ছিল রাস্তায় চলাচল করা অসম্ভব হয়ে পড়ে। কোটি কোটি টাকা খরচ করে ব্রিজ বানানো হলেও আমাদের কষ্ট কমেনি।

জমির মালিক বীর মুক্তিযোদ্ধা আমিরুল ইসলাম জানান, তারা জমি দিতে ইচ্ছুক এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিয়েছেন। সরকারের পক্ষ থেকে জমির ন্যায্যমূল্য পরিশোধ করলেই দ্রুত রাস্তার কাজ শুরু করা সম্ভব।

মেহেরপুর জেলা এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মনজুর রশীদ বলেন, সেতুর কাজ অনেক আগেই শেষ হয়েছে। মূলত জমি অধিগ্রহণের ব্যয় ও অনুমোদনের প্রক্রিয়াটি আলাদা হওয়ায় কিছুটা দেরি হচ্ছে। আমরা প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠিয়েছি। অনুমোদন পেলেই দ্রুত সংযোগ সড়কের কাজ শুরু করা হবে।

দ্রুত এই জটিলতা কাটিয়ে সেতুটি চলাচলের উপযোগী করার দাবি জানিয়েছেন দুই উপজেলার কয়েক হাজার ভুক্তভোগী মানুষ।

বিষয় : মেহেরপুর মাথাভাঙ্গা নদী সেতু দুর্ভোগ জনদুর্ভোগ এলজিইডি গাংনী

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক নতুন আলো

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬


মেহেরপুর-কুষ্টিয়া সংযোগস্থলে সাত কোটি টাকার সেতু এখন গলার কাঁটা: ৪ বছরেও হয়নি সংযোগ সড়ক

প্রকাশের তারিখ : ০৫ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

মেহেরপুরের গাংনী ও কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার সংযোগস্থলে মাথাভাঙ্গা নদীর ওপর নির্মিত একটি আধুনিক গার্ডার সেতু এখন স্থানীয়দের জন্য চরম ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার চার বছর পেরিয়ে গেলেও সংযোগ সড়ক না থাকায় ৭ কোটি ২৯ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই সেতুটি কোনো কাজেই আসছে না দুই জেলার মানুষের।

এলজিইডি গাংনী উপজেলা কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ২০১৯-২০ অর্থবছরে মেহেরপুরের বামন্দী থেকে কুষ্টিয়ার প্রাগপুর জিসি পর্যন্ত সড়কের মাথাভাঙ্গা নদীর ওপর ৭৫ মিটার দৈর্ঘ্যের এই সেতুটি নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারিতে কাজ শুরু হয়ে ২০২৩ সালের মার্চ মাসে নির্মাণকাজ সম্পন্ন করে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ‘মেসার্স কহিনূর অ্যান্ড কফিল এন্টারপ্রাইজ’। কিন্তু এক বছর আগে কাজ শেষ হলেও গাংনী অংশে সংযোগ সড়ক না থাকায় সেতুটি যাতায়াতের অযোগ্য হয়ে পড়ে আছে।


সরেজমিনে দেখা যায়, দৌলতপুর অংশে সংযোগ সড়ক থাকলেও গাংনী অংশে জমি অধিগ্রহণ জটিলতায় কোনো রাস্তা তৈরি হয়নি। ফলে স্থানীয় কৃষকদের উৎপাদিত ফসল বাজারে নিতে বা অসুস্থ রোগীদের হাসপাতালে নিতে প্রায় ৫ কিলোমিটার পথ ঘুরে যাতায়াত করতে হচ্ছে।

স্থানীয় বাসিন্দা মনিরুল ইসলাম ও শমশের আলী জানান, সেতুতে ওঠার রাস্তা নেই, ভ্যান বা সাইকেল ঠেলে তুলতে ৫-৬ জন মানুষ লাগে। বর্ষাকালে কাদা ও পিচ্ছিল রাস্তায় চলাচল করা অসম্ভব হয়ে পড়ে। কোটি কোটি টাকা খরচ করে ব্রিজ বানানো হলেও আমাদের কষ্ট কমেনি।

জমির মালিক বীর মুক্তিযোদ্ধা আমিরুল ইসলাম জানান, তারা জমি দিতে ইচ্ছুক এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিয়েছেন। সরকারের পক্ষ থেকে জমির ন্যায্যমূল্য পরিশোধ করলেই দ্রুত রাস্তার কাজ শুরু করা সম্ভব।

মেহেরপুর জেলা এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মনজুর রশীদ বলেন, সেতুর কাজ অনেক আগেই শেষ হয়েছে। মূলত জমি অধিগ্রহণের ব্যয় ও অনুমোদনের প্রক্রিয়াটি আলাদা হওয়ায় কিছুটা দেরি হচ্ছে। আমরা প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠিয়েছি। অনুমোদন পেলেই দ্রুত সংযোগ সড়কের কাজ শুরু করা হবে।


দ্রুত এই জটিলতা কাটিয়ে সেতুটি চলাচলের উপযোগী করার দাবি জানিয়েছেন দুই উপজেলার কয়েক হাজার ভুক্তভোগী মানুষ।


দৈনিক নতুন আলো

প্রকাশক : সাদিয়া নূর পূর্ণ
সম্পাদক : নাহিদ হোসেন
নির্বাহী সম্পাদক : মোঃ ছিরু মিয়া

কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত দৈনিক নতুন আলো