মাগুরার শ্রীপুর উপজেলায় সামাজিক আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে ভয়াবহ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার (১ মে) রাত ৯টা থেকে ভোর ৩টা পর্যন্ত চলা এই ৬ ঘণ্টার তাণ্ডবে শতাধিক বাড়িঘরে ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে। এই ঘটনায় উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সব্দালপুর ইউনিয়নের নোহাটা গ্রামের টিটন মোল্যা এবং আমতৈল গ্রামের লিপটন মিয়ার মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে। তারা দুজনেই বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। শুক্রবার সন্ধ্যায় সুমন মিয়া নামের এক ভ্যানচালক লাঞ্ছিত হওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই গ্রামের বাসিন্দারা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।
সংঘর্ষ চলাকালে হামলাকারীরা বসতঘর থেকে গরু-ছাগলসহ মূল্যবান মালামাল লুট করে নিয়ে যায়। আমতৈল গ্রামের নাসিমা খাতুন জানান, তার বাড়িতে লুটপাটের পর আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়েছে। নোহাটা গ্রামের লিপি বেগম আক্ষেপ করে বলেন, হামলাকারীরা ঘরবাড়ি তছনছ করে দিয়েছে, সন্তানদের নিয়ে এখন কোথায় থাকব বুঝতে পারছি না। সংঘর্ষে আহত রফিকুল ইসলাম (৩৫), আরব আলী (৬৬) ও ইয়াহিয়াসহ (২০) অন্যদের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
শ্রীপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আতাউর রহমান জানিয়েছেন, পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। তবে এই ঘটনায় এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি।

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ মে ২০২৬
মাগুরার শ্রীপুর উপজেলায় সামাজিক আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে ভয়াবহ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার (১ মে) রাত ৯টা থেকে ভোর ৩টা পর্যন্ত চলা এই ৬ ঘণ্টার তাণ্ডবে শতাধিক বাড়িঘরে ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে। এই ঘটনায় উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সব্দালপুর ইউনিয়নের নোহাটা গ্রামের টিটন মোল্যা এবং আমতৈল গ্রামের লিপটন মিয়ার মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে। তারা দুজনেই বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। শুক্রবার সন্ধ্যায় সুমন মিয়া নামের এক ভ্যানচালক লাঞ্ছিত হওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই গ্রামের বাসিন্দারা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।
সংঘর্ষ চলাকালে হামলাকারীরা বসতঘর থেকে গরু-ছাগলসহ মূল্যবান মালামাল লুট করে নিয়ে যায়। আমতৈল গ্রামের নাসিমা খাতুন জানান, তার বাড়িতে লুটপাটের পর আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়েছে। নোহাটা গ্রামের লিপি বেগম আক্ষেপ করে বলেন, হামলাকারীরা ঘরবাড়ি তছনছ করে দিয়েছে, সন্তানদের নিয়ে এখন কোথায় থাকব বুঝতে পারছি না। সংঘর্ষে আহত রফিকুল ইসলাম (৩৫), আরব আলী (৬৬) ও ইয়াহিয়াসহ (২০) অন্যদের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
শ্রীপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আতাউর রহমান জানিয়েছেন, পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। তবে এই ঘটনায় এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি।

আপনার মতামত লিখুন