মুকসুদপুর    বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
দৈনিক নতুন আলো
আপডেট : শনিবার, ১৬ মে ২০২৬

গোপালগঞ্জ পুলিশ লাইন্সে মাস্টার প্যারেড ও কল্যাণসভা অনুষ্ঠিত

গোপালগঞ্জ পুলিশ লাইন্সে মাস্টার প্যারেড ও কল্যাণসভা অনুষ্ঠিত

কোটালীপাড়া ও টুঙ্গিপাড়ায় দুর্গোৎসবের প্রস্তুতি: সম্প্রীতি বজায় রাখার আহ্বান

কোটালীপাড়া ও টুঙ্গিপাড়ায় দুর্গোৎসবের প্রস্তুতি: সম্প্রীতি বজায় রাখার আহ্বান

মুকসুদপুরে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত

মুকসুদপুরে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত

কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় পদ্মায় দ্বিতীয় দফায় ভয়াবহ ভাঙন: বিলীন ৫০০ বিঘা আবাদি জমি

কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় পদ্মায় দ্বিতীয় দফায় ভয়াবহ ভাঙন: বিলীন ৫০০ বিঘা আবাদি জমি

গোপালগঞ্জে জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত

গোপালগঞ্জে জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত

ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নে মুকসুদপুরে মাঠ পর্যায়ের সুপারভাইজারদের প্রশিক্ষণ ও ল্যাপটপ প্রদান

ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নে মুকসুদপুরে মাঠ পর্যায়ের সুপারভাইজারদের প্রশিক্ষণ ও ল্যাপটপ প্রদান

মুকসুদপুরে পূজামণ্ডপের নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় মতবিনিময় সভা

মুকসুদপুরে পূজামণ্ডপের নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় মতবিনিময় সভা

মেহেরপুরের গাংনীতে ঘন কুয়াশায় নামল শীতের আমেজ, সড়কে ঝুঁকি নিয়ে চলছে যানবাহন

মেহেরপুরের গাংনীতে ঘন কুয়াশায় নামল শীতের আমেজ, সড়কে ঝুঁকি নিয়ে চলছে যানবাহন

স্বাধীনতার ৫০ বছর পরও সেতুর অপেক্ষায় বাসাইলবাসী

স্বাধীনতার ৫০ বছর পরও হয়নি সেতু: টাঙ্গাইলে ঝুঁকি নিয়ে নড়বড়ে কাঠের সাঁকো পার হচ্ছে ১৫ গ্রাম

স্বাধীনতার ৫০ বছর পরও হয়নি সেতু: টাঙ্গাইলে ঝুঁকি নিয়ে নড়বড়ে কাঠের সাঁকো পার হচ্ছে ১৫ গ্রাম
১৫টি গ্রামের মানুষ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ভঙ্গুর কাঠের সেতুটি ব্যবহার করছেন। ছবি: সংগ্রহ

দেশের স্বাধীনতার পাঁচ দশক পেরিয়ে গেলেও টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলার বাসিন্দাদের ভাগ্যে জোটেনি লাঙ্গুলিয়া নদীর ওপর একটি স্থায়ী সেতু। উপযুক্ত পরিকাঠামোর অভাবে অন্তত ১৫টি গ্রামের হাজার হাজার মানুষ প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে একটি জরাজীর্ণ কাঠের সেতু ব্যবহার করে নদী পার হতে বাধ্য হচ্ছেন।

ফুলকি ইউনিয়নের কৌলজানী বাজার এলাকায় অবস্থিত এই অস্থায়ী সেতুটিই ফুলকি, খাতুড়া, বোল্লা ও কাজিপুরসহ পার্শ্ববর্তী কালিহাতি উপজেলার রামপুর ও গান্ধিনা এলাকার বাসিন্দাদের উপজেলা সদরে যাওয়ার প্রধান পথ। সরেজমিনে দেখা গেছে, প্রতিদিন শত শত স্কুলগামী ছাত্রছাত্রী, নিত্যযাত্রী এবং সিএনজি-অটোরিকশার মতো যানবাহনগুলো দুলতে থাকা এই নড়বড়ে সেতুর ওপর দিয়ে পার হচ্ছে।

দীর্ঘদিন সরকারি সহায়তা না পেয়ে প্রায় ১২ বছর আগে স্থানীয়রা নিজেদের উদ্যোগে ও অর্থায়নে এই কাঠের সেতুটি নির্মাণ করেন। স্থানীয় বাসিন্দা হামেদ আলী মিয়া আক্ষেপ করে বলেন, প্রতি নির্বাচনের সময় প্রার্থীরা সেতুর প্রতিশ্রুতি দেন, কিন্তু ভোট শেষ হলেই তারা উধাও হয়ে যান। অনেক সাংসদ এলেন আর গেলেন, আমাদের দাবি কেউ পূরণ করেনি।


অটোরিকশা চালক আজমত আলী তাঁর তিক্ত অভিজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, সেতুর তক্তা ভেঙে আমার অটোরিকশাটি একবার নিচে পড়ে গিয়েছিল। সবার সাহায্য নিয়ে সেটা তুলতে হয়েছে। প্রতিদিন ভয়ের মধ্যে এই পথ দিয়ে গাড়ি চালাতে হয়।

কৌলজানী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, লুৎফর-শান্তা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় এবং কৌলজানী নওশরিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা প্রতিদিন এই নড়বড়ে পথটি ব্যবহার করে। স্থানীয়দের আশঙ্কা, যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটে যেতে পারে।


এ বিষয়ে বাসাইল উপজেলা প্রকৌশলী কাজী ফত্তাহুর রহমান জানান, প্রস্তাবিত খাতুরা সেতুটি একটি সরকারি অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের প্রাথমিক তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। তিনি আশ্বস্ত করে বলেন, প্রকল্পটি আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদন পেলেই দ্রুত দরপত্র প্রক্রিয়ার মাধ্যমে স্থায়ী সেতু নির্মাণের কাজ শুরু করা হবে।

বিষয় : Tangail

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক নতুন আলো

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬


স্বাধীনতার ৫০ বছর পরও হয়নি সেতু: টাঙ্গাইলে ঝুঁকি নিয়ে নড়বড়ে কাঠের সাঁকো পার হচ্ছে ১৫ গ্রাম

প্রকাশের তারিখ : ১৫ মে ২০২৬

featured Image

দেশের স্বাধীনতার পাঁচ দশক পেরিয়ে গেলেও টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলার বাসিন্দাদের ভাগ্যে জোটেনি লাঙ্গুলিয়া নদীর ওপর একটি স্থায়ী সেতু। উপযুক্ত পরিকাঠামোর অভাবে অন্তত ১৫টি গ্রামের হাজার হাজার মানুষ প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে একটি জরাজীর্ণ কাঠের সেতু ব্যবহার করে নদী পার হতে বাধ্য হচ্ছেন।

ফুলকি ইউনিয়নের কৌলজানী বাজার এলাকায় অবস্থিত এই অস্থায়ী সেতুটিই ফুলকি, খাতুড়া, বোল্লা ও কাজিপুরসহ পার্শ্ববর্তী কালিহাতি উপজেলার রামপুর ও গান্ধিনা এলাকার বাসিন্দাদের উপজেলা সদরে যাওয়ার প্রধান পথ। সরেজমিনে দেখা গেছে, প্রতিদিন শত শত স্কুলগামী ছাত্রছাত্রী, নিত্যযাত্রী এবং সিএনজি-অটোরিকশার মতো যানবাহনগুলো দুলতে থাকা এই নড়বড়ে সেতুর ওপর দিয়ে পার হচ্ছে।

দীর্ঘদিন সরকারি সহায়তা না পেয়ে প্রায় ১২ বছর আগে স্থানীয়রা নিজেদের উদ্যোগে ও অর্থায়নে এই কাঠের সেতুটি নির্মাণ করেন। স্থানীয় বাসিন্দা হামেদ আলী মিয়া আক্ষেপ করে বলেন, প্রতি নির্বাচনের সময় প্রার্থীরা সেতুর প্রতিশ্রুতি দেন, কিন্তু ভোট শেষ হলেই তারা উধাও হয়ে যান। অনেক সাংসদ এলেন আর গেলেন, আমাদের দাবি কেউ পূরণ করেনি।


অটোরিকশা চালক আজমত আলী তাঁর তিক্ত অভিজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, সেতুর তক্তা ভেঙে আমার অটোরিকশাটি একবার নিচে পড়ে গিয়েছিল। সবার সাহায্য নিয়ে সেটা তুলতে হয়েছে। প্রতিদিন ভয়ের মধ্যে এই পথ দিয়ে গাড়ি চালাতে হয়।

কৌলজানী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, লুৎফর-শান্তা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় এবং কৌলজানী নওশরিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা প্রতিদিন এই নড়বড়ে পথটি ব্যবহার করে। স্থানীয়দের আশঙ্কা, যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটে যেতে পারে।


এ বিষয়ে বাসাইল উপজেলা প্রকৌশলী কাজী ফত্তাহুর রহমান জানান, প্রস্তাবিত খাতুরা সেতুটি একটি সরকারি অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের প্রাথমিক তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। তিনি আশ্বস্ত করে বলেন, প্রকল্পটি আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদন পেলেই দ্রুত দরপত্র প্রক্রিয়ার মাধ্যমে স্থায়ী সেতু নির্মাণের কাজ শুরু করা হবে।


দৈনিক নতুন আলো

প্রকাশক : সাদিয়া নূর পূর্ণ
সম্পাদক : নাহিদ হোসেন
নির্বাহী সম্পাদক : মোঃ ছিরু মিয়া

কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত দৈনিক নতুন আলো