গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলায় প্রান্তিক মৎস্যজীবীদের জীবনমান উন্নয়ন ও বিকল্প কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে ৬০ জন নিবন্ধিত মৎস্যজীবীর মাঝে বকনা বাছুর বিতরণ করা হয়েছে। সরকারের চলমান উন্নয়ন কার্যক্রমের অংশ হিসেবে এই জনকল্যাণমূলক উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়।
শনিবার (১৬ মে) সকালে মুকসুদপুর উপজেলা মৎস্য অফিসের আয়োজনে উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে এ বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের দেশীয় প্রজাতির মাছ ও শামুক সংরক্ষণ ও উন্নয়ন প্রকল্প (১ম সংশোধিত)এর আওতায় এই কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গোপালগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক জনাব মোঃ সেলিমুজ্জামান সেলিম এমপি। তিনি উপকারভোগীদের হাতে বকনা বাছুর তুলে দিয়ে বলেন, প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর সার্বিক উন্নয়ন ছাড়া দেশের প্রকৃত উন্নয়ন সম্ভব নয়। যারা নদী, খাল-বিল ও উন্মুক্ত জলাশয়ের ওপর নির্ভরশীল, তাদের জীবনমান উন্নয়নে সরকার বিভিন্ন মেয়াদী প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে।
তিনি তাঁর বক্তব্যে আরও উল্লেখ করেন, নির্বাচনের আগে দেওয়া ইশতেহারের প্রতিটি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে বর্তমান সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করছে। ফ্যামিলি কার্ড, কৃষি কার্ড, খাল খনন কর্মসূচি এবং ক্ষুদ্র কৃষকদের জন্য ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফসহ বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক উদ্যোগ ইতোমধ্যে গ্রহণ করা হয়েছে। এসব কর্মসূচির সুফল সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছাতে শুরু করেছে।
মুকসুদপুর উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা আজিজুল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন :
প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা জানান, মৎস্য আহরণ নিষিদ্ধ বা সংকটের সময়ে মৎস্যজীবীদের আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই এই গবাদিপশু বিতরণ করা হয়েছে। বকনা বাছুর হাতে পেয়ে নিবন্ধিত মৎস্যজীবীদের মাঝে আনন্দ ও কৃতজ্ঞতার আবহ সৃষ্টি হয়। উপস্থিত অতিথিরা আশা প্রকাশ করেন, এই গবাদিপশু সঠিকভাবে পালন করে মৎস্যজীবী পরিবারগুলো অতিরিক্ত আয়ের সুযোগ সৃষ্টি করতে পারবেন এবং নিজেদের অর্থনৈতিক অবস্থার দ্রুত পরিবর্তন ঘটাতে সক্ষম হবেন।

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ মে ২০২৬
গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলায় প্রান্তিক মৎস্যজীবীদের জীবনমান উন্নয়ন ও বিকল্প কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে ৬০ জন নিবন্ধিত মৎস্যজীবীর মাঝে বকনা বাছুর বিতরণ করা হয়েছে। সরকারের চলমান উন্নয়ন কার্যক্রমের অংশ হিসেবে এই জনকল্যাণমূলক উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়।
শনিবার (১৬ মে) সকালে মুকসুদপুর উপজেলা মৎস্য অফিসের আয়োজনে উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে এ বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের দেশীয় প্রজাতির মাছ ও শামুক সংরক্ষণ ও উন্নয়ন প্রকল্প (১ম সংশোধিত)এর আওতায় এই কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গোপালগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক জনাব মোঃ সেলিমুজ্জামান সেলিম এমপি। তিনি উপকারভোগীদের হাতে বকনা বাছুর তুলে দিয়ে বলেন, প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর সার্বিক উন্নয়ন ছাড়া দেশের প্রকৃত উন্নয়ন সম্ভব নয়। যারা নদী, খাল-বিল ও উন্মুক্ত জলাশয়ের ওপর নির্ভরশীল, তাদের জীবনমান উন্নয়নে সরকার বিভিন্ন মেয়াদী প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে।
তিনি তাঁর বক্তব্যে আরও উল্লেখ করেন, নির্বাচনের আগে দেওয়া ইশতেহারের প্রতিটি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে বর্তমান সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করছে। ফ্যামিলি কার্ড, কৃষি কার্ড, খাল খনন কর্মসূচি এবং ক্ষুদ্র কৃষকদের জন্য ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফসহ বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক উদ্যোগ ইতোমধ্যে গ্রহণ করা হয়েছে। এসব কর্মসূচির সুফল সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছাতে শুরু করেছে।
মুকসুদপুর উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা আজিজুল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন :
প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা জানান, মৎস্য আহরণ নিষিদ্ধ বা সংকটের সময়ে মৎস্যজীবীদের আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই এই গবাদিপশু বিতরণ করা হয়েছে। বকনা বাছুর হাতে পেয়ে নিবন্ধিত মৎস্যজীবীদের মাঝে আনন্দ ও কৃতজ্ঞতার আবহ সৃষ্টি হয়। উপস্থিত অতিথিরা আশা প্রকাশ করেন, এই গবাদিপশু সঠিকভাবে পালন করে মৎস্যজীবী পরিবারগুলো অতিরিক্ত আয়ের সুযোগ সৃষ্টি করতে পারবেন এবং নিজেদের অর্থনৈতিক অবস্থার দ্রুত পরিবর্তন ঘটাতে সক্ষম হবেন।

আপনার মতামত লিখুন