পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে কোরবানিকৃত পশুর বর্জ্য দ্রুত অপসারণ এবং পৌর এলাকার সার্বিক পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখতে গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর পৌরসভায় বিশেষ তদারকি কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে। আজ সকাল ১১টা থেকে মুকসুদপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ও পৌর প্রশাসক মো. আশিক কবিরের নেতৃত্বে পৌরসভার বিভিন্ন ওয়ার্ড সরেজমিনে পরিদর্শন করা হয়।
পরিদর্শনের মূল উদ্দেশ্য ছিল কোরবানির বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম সঠিকভাবে সম্পন্ন হয়েছে কিনা এবং জনসাধারণের স্বাস্থ্যঝুঁকি এড়াতে সড়ক ও আশপাশের পরিবেশ দ্রুত কর্দদমুক্ত ও পরিচ্ছন্ন করা হয়েছে কিনা তা নিশ্চিত করা।
তদারকিকালে পৌরসভার বিভিন্ন সড়ক ও জনসমাগমস্থলের পাশে কোরবানিকৃত পশুর বর্জ্য দ্রুততম সময়ে সরিয়ে নেওয়ায় এলাকার সার্বিক পরিবেশ স্বাভাবিক ও পরিচ্ছন্ন দেখা যায়। তবে পরিদর্শনের সময় কয়েকটি স্থানে পশুর রক্তের চিহ্ন লক্ষ্য করা গেলে ইউএনওর নির্দেশনায় তাৎক্ষণিকভাবে পৌরসভার পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের মাধ্যমে সেগুলো ধুয়ে-মুছে ব্লিচিং পাউডার ছিটানোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়। উপজেলা প্রশাসনের এই কঠোর নজরদারির ফলে পৌর এলাকায় দুর্গন্ধ ছড়ানো ও পরিবেশ দূষণ প্রতিরোধে কার্যকর ভূমিকা পালন করা সম্ভব হয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও পৌর প্রশাসক মো. আশিক কবির
পৌর কর্তৃপক্ষ জানায়, ঈদ-পরবর্তী সময়ে জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা ও ডেঙ্গুসহ বিভিন্ন রোগব্যাধির প্রকোপ থেকে নাগরিকদের মুক্ত রাখতে প্রশাসন ও পৌরসভা সমন্বিতভাবে এই পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে।

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ মে ২০২৬
পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে কোরবানিকৃত পশুর বর্জ্য দ্রুত অপসারণ এবং পৌর এলাকার সার্বিক পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখতে গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর পৌরসভায় বিশেষ তদারকি কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে। আজ সকাল ১১টা থেকে মুকসুদপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ও পৌর প্রশাসক মো. আশিক কবিরের নেতৃত্বে পৌরসভার বিভিন্ন ওয়ার্ড সরেজমিনে পরিদর্শন করা হয়।
পরিদর্শনের মূল উদ্দেশ্য ছিল কোরবানির বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম সঠিকভাবে সম্পন্ন হয়েছে কিনা এবং জনসাধারণের স্বাস্থ্যঝুঁকি এড়াতে সড়ক ও আশপাশের পরিবেশ দ্রুত কর্দদমুক্ত ও পরিচ্ছন্ন করা হয়েছে কিনা তা নিশ্চিত করা।
তদারকিকালে পৌরসভার বিভিন্ন সড়ক ও জনসমাগমস্থলের পাশে কোরবানিকৃত পশুর বর্জ্য দ্রুততম সময়ে সরিয়ে নেওয়ায় এলাকার সার্বিক পরিবেশ স্বাভাবিক ও পরিচ্ছন্ন দেখা যায়। তবে পরিদর্শনের সময় কয়েকটি স্থানে পশুর রক্তের চিহ্ন লক্ষ্য করা গেলে ইউএনওর নির্দেশনায় তাৎক্ষণিকভাবে পৌরসভার পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের মাধ্যমে সেগুলো ধুয়ে-মুছে ব্লিচিং পাউডার ছিটানোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়। উপজেলা প্রশাসনের এই কঠোর নজরদারির ফলে পৌর এলাকায় দুর্গন্ধ ছড়ানো ও পরিবেশ দূষণ প্রতিরোধে কার্যকর ভূমিকা পালন করা সম্ভব হয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও পৌর প্রশাসক মো. আশিক কবির
পৌর কর্তৃপক্ষ জানায়, ঈদ-পরবর্তী সময়ে জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা ও ডেঙ্গুসহ বিভিন্ন রোগব্যাধির প্রকোপ থেকে নাগরিকদের মুক্ত রাখতে প্রশাসন ও পৌরসভা সমন্বিতভাবে এই পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে।

আপনার মতামত লিখুন