যশোরের বেনাপোল সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) বিরুদ্ধে কথিত বাংলাদেশি নাগরিকদের জোরপূর্বক বাংলাদেশে ঠেলে পাঠানোর (পুশ ইন)চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। তবে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি)কঠোর বাধার মুখে কেউ বাংলাদেশে প্রবেশ করতে পারেনি। বিএসএফের জড়ো করা ওই বাংলাদেশিরা মূলত ভারতে জন্মগ্রহণ করেছেন এবং দীর্ঘদিন ধরে সেখানেই বসবাস করছিলেন বলে সীমান্ত সূত্রে জানা গেছে।
গতকাল রোববার রাত থেকে বেনাপোলের রঘুনাথপুর সীমান্তের বিপরীতে ভারতের হরিদাসপুর এলাকায় নারী, পুরুষ ও শিশুদের জড়ো করে রাখা হয়। পরে তাদের অবৈধভাবে বাংলাদেশে প্রবেশ করানোর চেষ্টা করা হলে বিজিবি তাৎক্ষণিক প্রতিরোধ গড়ে তোলে। নাগরিকত্ব ও পরিচয় যাচাই ছাড়াই এভাবে সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে পাঠানোর চেষ্টার জেরে বর্তমানে বেনাপোল সীমান্তজুড়ে সর্বোচ্চ নজরদারি ও সতর্কতা বাড়িয়েছে বিজিবি।
সীমান্তবর্তী এলাকার বাসিন্দারা জানান, গতকাল রাতে সীমান্তের একটি বাগানে শতাধিক মানুষকে এনে জড়ো করে বিএসএফ। এরপরই তাদের বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করা হলে বিজিবি সদস্যরা কঠোর অবস্থান নেন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সীমান্ত এলাকায় তীব্র উত্তেজনা ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। তবে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, দেশের সীমান্ত সুরক্ষায় এবং যেকোনো ধরনের অবৈধ অনুপ্রবেশ ঠেকাতে তাঁরা সর্বদা বিজিবির পাশে থাকবেন।
এ বিষয়ে যশোর ৪৯ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল গোলাম মোহাম্মদ সাইফুল আলম খান বলেন, বিএসএফ ১০০ থেকে ১২০ জনকে সীমান্ত এলাকায় এনে জড়ো করেছে। তবে বিজিবির কঠোর নজরদারির কারণে অবৈধভাবে কেউ বাংলাদেশে প্রবেশ করতে পারেনি। যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিজিবি সীমান্তে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।
সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিজিবি-বিএসএফ) মধ্যে যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। তবে এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত বিজিবি বা সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য বা প্রেস রিলিজ পাওয়া যায়নি।
এর আগে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনার হাকিমপুর সীমান্তে নিজেদের বাংলাদেশি দাবি করা শতাধিক ব্যক্তিকে যাচাই-বাছাই শেষে বিজিবির কাছে হস্তান্তরের খবর পাওয়া গিয়েছিল। সে সময় বিএসএফ তাদের পরিচয় নিবন্ধন ও বায়োমেট্রিক তথ্য সংগ্রহের পর ফেরত পাঠানোর আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শুরু করেছিল। তবে এবারের বেনাপোল সীমান্তের রঘুনাথপুর অংশে কোনো প্রকার পরিচয় ও নাগরিকত্ব যাচাই ছাড়াই জোরপূর্বক পুশ ইনের চেষ্টা চালানো হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ জুন ২০২৬
যশোরের বেনাপোল সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) বিরুদ্ধে কথিত বাংলাদেশি নাগরিকদের জোরপূর্বক বাংলাদেশে ঠেলে পাঠানোর (পুশ ইন)চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। তবে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি)কঠোর বাধার মুখে কেউ বাংলাদেশে প্রবেশ করতে পারেনি। বিএসএফের জড়ো করা ওই বাংলাদেশিরা মূলত ভারতে জন্মগ্রহণ করেছেন এবং দীর্ঘদিন ধরে সেখানেই বসবাস করছিলেন বলে সীমান্ত সূত্রে জানা গেছে।
গতকাল রোববার রাত থেকে বেনাপোলের রঘুনাথপুর সীমান্তের বিপরীতে ভারতের হরিদাসপুর এলাকায় নারী, পুরুষ ও শিশুদের জড়ো করে রাখা হয়। পরে তাদের অবৈধভাবে বাংলাদেশে প্রবেশ করানোর চেষ্টা করা হলে বিজিবি তাৎক্ষণিক প্রতিরোধ গড়ে তোলে। নাগরিকত্ব ও পরিচয় যাচাই ছাড়াই এভাবে সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে পাঠানোর চেষ্টার জেরে বর্তমানে বেনাপোল সীমান্তজুড়ে সর্বোচ্চ নজরদারি ও সতর্কতা বাড়িয়েছে বিজিবি।
সীমান্তবর্তী এলাকার বাসিন্দারা জানান, গতকাল রাতে সীমান্তের একটি বাগানে শতাধিক মানুষকে এনে জড়ো করে বিএসএফ। এরপরই তাদের বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করা হলে বিজিবি সদস্যরা কঠোর অবস্থান নেন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সীমান্ত এলাকায় তীব্র উত্তেজনা ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। তবে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, দেশের সীমান্ত সুরক্ষায় এবং যেকোনো ধরনের অবৈধ অনুপ্রবেশ ঠেকাতে তাঁরা সর্বদা বিজিবির পাশে থাকবেন।
এ বিষয়ে যশোর ৪৯ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল গোলাম মোহাম্মদ সাইফুল আলম খান বলেন, বিএসএফ ১০০ থেকে ১২০ জনকে সীমান্ত এলাকায় এনে জড়ো করেছে। তবে বিজিবির কঠোর নজরদারির কারণে অবৈধভাবে কেউ বাংলাদেশে প্রবেশ করতে পারেনি। যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিজিবি সীমান্তে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।
সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিজিবি-বিএসএফ) মধ্যে যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। তবে এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত বিজিবি বা সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য বা প্রেস রিলিজ পাওয়া যায়নি।
এর আগে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনার হাকিমপুর সীমান্তে নিজেদের বাংলাদেশি দাবি করা শতাধিক ব্যক্তিকে যাচাই-বাছাই শেষে বিজিবির কাছে হস্তান্তরের খবর পাওয়া গিয়েছিল। সে সময় বিএসএফ তাদের পরিচয় নিবন্ধন ও বায়োমেট্রিক তথ্য সংগ্রহের পর ফেরত পাঠানোর আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শুরু করেছিল। তবে এবারের বেনাপোল সীমান্তের রঘুনাথপুর অংশে কোনো প্রকার পরিচয় ও নাগরিকত্ব যাচাই ছাড়াই জোরপূর্বক পুশ ইনের চেষ্টা চালানো হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

আপনার মতামত লিখুন