চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার মাখালডাঙ্গা গ্রামে মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় মাটির নিচে পুঁতে রাখা সাতটি শক্তিশালী স্থলমাইন নিষ্ক্রিয় করেছে সেনাবাহিনী। শনিবার (২৮ মার্চ) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত এক বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে এসব মাইন ধ্বংস করা হয়।
যশোর সেনানিবাসের ৩ ইঞ্জিনিয়ার ব্যাটালিয়নের একটি চৌকস বোম্ব ডিসপোজাল টিম এই নিষ্ক্রিয়করণ অভিযানে নেতৃত্ব দেয়। মাইনগুলো ধ্বংস করার সময় বিকট শব্দে এলাকা কেঁপে ওঠে এবং আকাশে ঘন ধোঁয়ার কুণ্ডলী তৈরি হয়। নিরাপত্তার স্বার্থে অভিযানের সময় আশপাশের এলাকায় জনসাধারণের প্রবেশ সীমিত রাখা হয়েছিল।
এর আগে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মাখালডাঙ্গা গ্রামের কৃষকেরা জমিতে চাষ করতে গিয়ে মাটির নিচে ধাতব কিছু বস্তুর অস্তিত্ব পান। খবর পেয়ে দ্রুত যৌথ বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং প্রাথমিক পর্যবেক্ষণে এগুলোকে শক্তিশালী স্থলমাইন হিসেবে শনাক্ত করেন। দীর্ঘ এক মাস এলাকাটি ঘিরে রেখে কড়া নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পর আজ চূড়ান্তভাবে সেগুলো ধ্বংস করা হলো।
জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মির্জা শহিদুল ইসলাম জানান, উদ্ধারকৃত মাইনগুলো ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়ের। ধারণা করা হচ্ছে, যুদ্ধের সময় পিছু হটার আগে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী এই এলাকায় প্রতিরোধ গড়তে মাইনগুলো পুঁতে রেখেছিল। দীর্ঘ ৫ দশকের বেশি সময় অতিবাহিত হলেও মাইনগুলো সক্রিয় ছিল, যা যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার কারণ হতে পারত।
অভিযান চলাকালে চুয়াডাঙ্গা আর্মি ক্যাম্পের (৩৬ এডি) ক্যাপ্টেন মোহাম্মদ রিফাত, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মোস্তাফিজুর রহমান, সদর থানার ওসি মোহাম্মদ মিজানুর রহমান এবং ফায়ার সার্ভিসের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ মার্চ ২০২৬
চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার মাখালডাঙ্গা গ্রামে মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় মাটির নিচে পুঁতে রাখা সাতটি শক্তিশালী স্থলমাইন নিষ্ক্রিয় করেছে সেনাবাহিনী। শনিবার (২৮ মার্চ) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত এক বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে এসব মাইন ধ্বংস করা হয়।
যশোর সেনানিবাসের ৩ ইঞ্জিনিয়ার ব্যাটালিয়নের একটি চৌকস বোম্ব ডিসপোজাল টিম এই নিষ্ক্রিয়করণ অভিযানে নেতৃত্ব দেয়। মাইনগুলো ধ্বংস করার সময় বিকট শব্দে এলাকা কেঁপে ওঠে এবং আকাশে ঘন ধোঁয়ার কুণ্ডলী তৈরি হয়। নিরাপত্তার স্বার্থে অভিযানের সময় আশপাশের এলাকায় জনসাধারণের প্রবেশ সীমিত রাখা হয়েছিল।
এর আগে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মাখালডাঙ্গা গ্রামের কৃষকেরা জমিতে চাষ করতে গিয়ে মাটির নিচে ধাতব কিছু বস্তুর অস্তিত্ব পান। খবর পেয়ে দ্রুত যৌথ বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং প্রাথমিক পর্যবেক্ষণে এগুলোকে শক্তিশালী স্থলমাইন হিসেবে শনাক্ত করেন। দীর্ঘ এক মাস এলাকাটি ঘিরে রেখে কড়া নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পর আজ চূড়ান্তভাবে সেগুলো ধ্বংস করা হলো।
জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মির্জা শহিদুল ইসলাম জানান, উদ্ধারকৃত মাইনগুলো ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়ের। ধারণা করা হচ্ছে, যুদ্ধের সময় পিছু হটার আগে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী এই এলাকায় প্রতিরোধ গড়তে মাইনগুলো পুঁতে রেখেছিল। দীর্ঘ ৫ দশকের বেশি সময় অতিবাহিত হলেও মাইনগুলো সক্রিয় ছিল, যা যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার কারণ হতে পারত।
অভিযান চলাকালে চুয়াডাঙ্গা আর্মি ক্যাম্পের (৩৬ এডি) ক্যাপ্টেন মোহাম্মদ রিফাত, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মোস্তাফিজুর রহমান, সদর থানার ওসি মোহাম্মদ মিজানুর রহমান এবং ফায়ার সার্ভিসের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন