মুকসুদপুর    বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
দৈনিক নতুন আলো
আপডেট : রোববার, ২৯ মার্চ ২০২৬

গোপালগঞ্জ পুলিশ লাইন্সে মাস্টার প্যারেড ও কল্যাণসভা অনুষ্ঠিত

গোপালগঞ্জ পুলিশ লাইন্সে মাস্টার প্যারেড ও কল্যাণসভা অনুষ্ঠিত

কোটালীপাড়া ও টুঙ্গিপাড়ায় দুর্গোৎসবের প্রস্তুতি: সম্প্রীতি বজায় রাখার আহ্বান

কোটালীপাড়া ও টুঙ্গিপাড়ায় দুর্গোৎসবের প্রস্তুতি: সম্প্রীতি বজায় রাখার আহ্বান

মুকসুদপুরে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত

মুকসুদপুরে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত

কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় পদ্মায় দ্বিতীয় দফায় ভয়াবহ ভাঙন: বিলীন ৫০০ বিঘা আবাদি জমি

কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় পদ্মায় দ্বিতীয় দফায় ভয়াবহ ভাঙন: বিলীন ৫০০ বিঘা আবাদি জমি

গোপালগঞ্জে জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত

গোপালগঞ্জে জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত

ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নে মুকসুদপুরে মাঠ পর্যায়ের সুপারভাইজারদের প্রশিক্ষণ ও ল্যাপটপ প্রদান

ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নে মুকসুদপুরে মাঠ পর্যায়ের সুপারভাইজারদের প্রশিক্ষণ ও ল্যাপটপ প্রদান

মুকসুদপুরে পূজামণ্ডপের নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় মতবিনিময় সভা

মুকসুদপুরে পূজামণ্ডপের নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় মতবিনিময় সভা

মেহেরপুরের গাংনীতে ঘন কুয়াশায় নামল শীতের আমেজ, সড়কে ঝুঁকি নিয়ে চলছে যানবাহন

মেহেরপুরের গাংনীতে ঘন কুয়াশায় নামল শীতের আমেজ, সড়কে ঝুঁকি নিয়ে চলছে যানবাহন

৫৩ বছর পর নিষ্ক্রিয় হলো পাকিস্তানি হানাদারদের পুঁতে রাখা মাইন।

চুয়াডাঙ্গায় মুক্তিযুদ্ধের সময়ের ৭টি শক্তিশালী স্থলমাইন ধ্বংস করল সেনাবাহিনী

চুয়াডাঙ্গায় মুক্তিযুদ্ধের সময়ের ৭টি শক্তিশালী স্থলমাইন ধ্বংস করল সেনাবাহিনী
মাইনগুলো ধ্বংস করার সময় এলাকায় বিকট শব্দ হয় এবং আকাশে ঘন ধোঁয়ার কুণ্ডলী তৈরি হয়। ছবি : সংগৃহীত

চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার মাখালডাঙ্গা গ্রামে মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় মাটির নিচে পুঁতে রাখা সাতটি শক্তিশালী স্থলমাইন নিষ্ক্রিয় করেছে সেনাবাহিনী। শনিবার (২৮ মার্চ) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত এক বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে এসব মাইন ধ্বংস করা হয়।

যশোর সেনানিবাসের ৩ ইঞ্জিনিয়ার ব্যাটালিয়নের একটি চৌকস বোম্ব ডিসপোজাল টিম এই নিষ্ক্রিয়করণ অভিযানে নেতৃত্ব দেয়। মাইনগুলো ধ্বংস করার সময় বিকট শব্দে এলাকা কেঁপে ওঠে এবং আকাশে ঘন ধোঁয়ার কুণ্ডলী তৈরি হয়। নিরাপত্তার স্বার্থে অভিযানের সময় আশপাশের এলাকায় জনসাধারণের প্রবেশ সীমিত রাখা হয়েছিল।


এর আগে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মাখালডাঙ্গা গ্রামের কৃষকেরা জমিতে চাষ করতে গিয়ে মাটির নিচে ধাতব কিছু বস্তুর অস্তিত্ব পান। খবর পেয়ে দ্রুত যৌথ বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং প্রাথমিক পর্যবেক্ষণে এগুলোকে শক্তিশালী স্থলমাইন হিসেবে শনাক্ত করেন। দীর্ঘ এক মাস এলাকাটি ঘিরে রেখে কড়া নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পর আজ চূড়ান্তভাবে সেগুলো ধ্বংস করা হলো।

জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মির্জা শহিদুল ইসলাম জানান, উদ্ধারকৃত মাইনগুলো ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়ের। ধারণা করা হচ্ছে, যুদ্ধের সময় পিছু হটার আগে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী এই এলাকায় প্রতিরোধ গড়তে মাইনগুলো পুঁতে রেখেছিল। দীর্ঘ ৫ দশকের বেশি সময় অতিবাহিত হলেও মাইনগুলো সক্রিয় ছিল, যা যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার কারণ হতে পারত।

অভিযান চলাকালে চুয়াডাঙ্গা আর্মি ক্যাম্পের (৩৬ এডি) ক্যাপ্টেন মোহাম্মদ রিফাত, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মোস্তাফিজুর রহমান, সদর থানার ওসি মোহাম্মদ মিজানুর রহমান এবং ফায়ার সার্ভিসের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

বিষয় : দৈনিক নতুন আলো স্থলমাইন উদ্ধার বাংলাদেশ সেনাবাহিনী মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি মাখালডাঙ্গা

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক নতুন আলো

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬


চুয়াডাঙ্গায় মুক্তিযুদ্ধের সময়ের ৭টি শক্তিশালী স্থলমাইন ধ্বংস করল সেনাবাহিনী

প্রকাশের তারিখ : ২৮ মার্চ ২০২৬

featured Image

চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার মাখালডাঙ্গা গ্রামে মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় মাটির নিচে পুঁতে রাখা সাতটি শক্তিশালী স্থলমাইন নিষ্ক্রিয় করেছে সেনাবাহিনী। শনিবার (২৮ মার্চ) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত এক বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে এসব মাইন ধ্বংস করা হয়।

যশোর সেনানিবাসের ৩ ইঞ্জিনিয়ার ব্যাটালিয়নের একটি চৌকস বোম্ব ডিসপোজাল টিম এই নিষ্ক্রিয়করণ অভিযানে নেতৃত্ব দেয়। মাইনগুলো ধ্বংস করার সময় বিকট শব্দে এলাকা কেঁপে ওঠে এবং আকাশে ঘন ধোঁয়ার কুণ্ডলী তৈরি হয়। নিরাপত্তার স্বার্থে অভিযানের সময় আশপাশের এলাকায় জনসাধারণের প্রবেশ সীমিত রাখা হয়েছিল।


এর আগে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মাখালডাঙ্গা গ্রামের কৃষকেরা জমিতে চাষ করতে গিয়ে মাটির নিচে ধাতব কিছু বস্তুর অস্তিত্ব পান। খবর পেয়ে দ্রুত যৌথ বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং প্রাথমিক পর্যবেক্ষণে এগুলোকে শক্তিশালী স্থলমাইন হিসেবে শনাক্ত করেন। দীর্ঘ এক মাস এলাকাটি ঘিরে রেখে কড়া নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পর আজ চূড়ান্তভাবে সেগুলো ধ্বংস করা হলো।

জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মির্জা শহিদুল ইসলাম জানান, উদ্ধারকৃত মাইনগুলো ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়ের। ধারণা করা হচ্ছে, যুদ্ধের সময় পিছু হটার আগে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী এই এলাকায় প্রতিরোধ গড়তে মাইনগুলো পুঁতে রেখেছিল। দীর্ঘ ৫ দশকের বেশি সময় অতিবাহিত হলেও মাইনগুলো সক্রিয় ছিল, যা যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার কারণ হতে পারত।

অভিযান চলাকালে চুয়াডাঙ্গা আর্মি ক্যাম্পের (৩৬ এডি) ক্যাপ্টেন মোহাম্মদ রিফাত, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মোস্তাফিজুর রহমান, সদর থানার ওসি মোহাম্মদ মিজানুর রহমান এবং ফায়ার সার্ভিসের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।


দৈনিক নতুন আলো

প্রকাশক : সাদিয়া নূর পূর্ণ
সম্পাদক : নাহিদ হোসেন
নির্বাহী সম্পাদক : মোঃ ছিরু মিয়া

কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত দৈনিক নতুন আলো