মুকসুদপুর    বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
দৈনিক নতুন আলো
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬

মুকসুদপুর হাসপাতালে রোগীদের হয়রানি বন্ধের তাগিদ: সাংবাদিকদের সাথে ডা. ভীষ্মদেবের মতবিনিময়

মুকসুদপুর হাসপাতালে রোগীদের হয়রানি বন্ধের তাগিদ: সাংবাদিকদের সাথে ডা. ভীষ্মদেবের মতবিনিময়

মুকসুদপুরে বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ পালন: সুস্থ জাতি গঠনে মায়ের দুধের বিকল্প নেই

মুকসুদপুরে বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ পালন: সুস্থ জাতি গঠনে মায়ের দুধের বিকল্প নেই

গোপালগঞ্জ হার্ট ফাউন্ডেশনের কার্যক্রম খুব শিগগিরই শুরু হবে: সেলিমুজ্জামান সেলিম এমপি

গোপালগঞ্জ হার্ট ফাউন্ডেশনের কার্যক্রম খুব শিগগিরই শুরু হবে: সেলিমুজ্জামান সেলিম এমপি

রোগা হলেই কি কোলেস্টেরলের ঝুঁকি নেই? জানুন চিকিৎসকদের মতামত

রোগা হলেই কি কোলেস্টেরলের ঝুঁকি নেই? জানুন চিকিৎসকদের মতামত

শর্তসাপেক্ষে আদ্-দ্বীন হাসপাতালের স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার, কাল সকাল ৮টা থেকে সেবা শুরু

শর্তসাপেক্ষে আদ্-দ্বীন হাসপাতালের স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার, কাল সকাল ৮টা থেকে সেবা শুরু

মুকসুদপুরে বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্প: ৫০০ রোগীকে সেবা, ছানি অপারেশনের সুযোগ

মুকসুদপুরে বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্প: ৫০০ রোগীকে সেবা, ছানি অপারেশনের সুযোগ

হজম বৃদ্ধি থেকে ত্বকের উজ্জ্বলতা: বর্ষাকালে পুঁই শাকের যত গুণ

হজম বৃদ্ধি থেকে ত্বকের উজ্জ্বলতা: বর্ষাকালে পুঁই শাকের যত গুণ

গাজর খেলে কি সত্যিই চশমা লাগে না? জেনে নিন চিকিৎসাবিজ্ঞান কী বলছে

গাজর খেলে কি সত্যিই চশমা লাগে না? জেনে নিন চিকিৎসাবিজ্ঞান কী বলছে

কুমারখালী ও দৌলতপুর এখন সংক্রমণের ‘হটস্পট’

কুষ্টিয়ায় হামের প্রাদুর্ভাব: ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ভর্তি ৯০ শিশু, আতঙ্কে অভিভাবকরা

কুষ্টিয়ায় হামের প্রাদুর্ভাব: ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ভর্তি ৯০ শিশু, আতঙ্কে অভিভাবকরা
কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতাল। ছবি : সংগৃহীত

কুষ্টিয়ায় আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে হামে আক্রান্ত শিশুর সংখ্যা। গত ২৪ ঘণ্টায় জেলার বিভিন্ন হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে ভর্তি হয়েছে ৯০টি শিশু। চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত জেলায় মোট ১৬৩ জন শিশু এই রোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্রে আজ মঙ্গলবার দুপুরে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

সিভিল সার্জন কার্যালয়ের মেডিকেল কর্মকর্তা নাসরিন আক্তার জানান, আক্রান্তদের মধ্যে ৯০ শতাংশ শিশুর বয়স ৬ মাস থেকে ১ বছরের মধ্যে। জেলার ৬টি উপজেলার মধ্যে কুমারখালী ও দৌলতপুর উপজেলাকে সংক্রমণের ‘হটস্পট’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এ পর্যন্ত ১১ জন রোগীর শরীরে হামের পজিটিভ শনাক্ত হয়েছে, যার মধ্যে প্রথম রোগীটি ঢাকা থেকে এসেছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে।

আজ দুপুরে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে সরেজমিনে দেখা গেছে, ২০ শয্যার শিশু ওয়ার্ডে তিল ধারণের জায়গা নেই। ওয়ার্ড ছাড়িয়ে বারান্দায় ঠাঁই নিয়েছে অসুস্থ শিশুরা। হামের উপসর্গ থাকা রোগীদের জন্য দোতলায় পৃথক আইসোলেশন ওয়ার্ড খোলা হলেও সেখানেও শয্যা সংকট প্রকট। অনেক বিছানায় দুটি করে শিশুকে রাখা হয়েছে।

হাসপাতালে ভর্তি থাকা শিশুদের স্বজনরা চরম ভোগান্তির অভিযোগ তুলেছেন। সদর উপজেলার ঝাউদিয়া থেকে আসা মিতু খাতুন জানান, সিরিঞ্জ থেকে শুরু করে জ্বরের সিরাপ—সবই বাইরে থেকে কিনতে হচ্ছে। প্রতিদিন গড়ে ১২০০ থেকে ১৫০০ টাকা খরচ হচ্ছে। নার্সরা জানিয়েছেন, স্টোরে পর্যাপ্ত সরবরাহ না থাকায় তারা রোগীদের ওষুধ দিতে পারছেন না।


কুষ্টিয়ার সিভিল সার্জন শেখ মোহাম্মদ কামাল হোসেন বলেন, "রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। সব হাসপাতালে ‘হাম আইসোলেশন কর্নার’ খোলা হয়েছে এবং বিশেষ নজরদারিতে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।"

জেলা প্রশাসক তৌহিদ বিন-হাসান জানিয়েছেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং সাধারণ মানুষকে সচেতন করতে এলাকায় এলাকায় মাইকিং করার ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

বিষয় : দৈনিক নতুন আলো হামের_প্রাদুর্ভাব শিশু_স্বাস্থ্য কুষ্টিয়া_জেনারেল_হাসপাতাল

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক নতুন আলো

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬


কুষ্টিয়ায় হামের প্রাদুর্ভাব: ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ভর্তি ৯০ শিশু, আতঙ্কে অভিভাবকরা

প্রকাশের তারিখ : ৩১ মার্চ ২০২৬

featured Image

কুষ্টিয়ায় আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে হামে আক্রান্ত শিশুর সংখ্যা। গত ২৪ ঘণ্টায় জেলার বিভিন্ন হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে ভর্তি হয়েছে ৯০টি শিশু। চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত জেলায় মোট ১৬৩ জন শিশু এই রোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্রে আজ মঙ্গলবার দুপুরে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

সিভিল সার্জন কার্যালয়ের মেডিকেল কর্মকর্তা নাসরিন আক্তার জানান, আক্রান্তদের মধ্যে ৯০ শতাংশ শিশুর বয়স ৬ মাস থেকে ১ বছরের মধ্যে। জেলার ৬টি উপজেলার মধ্যে কুমারখালী ও দৌলতপুর উপজেলাকে সংক্রমণের ‘হটস্পট’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এ পর্যন্ত ১১ জন রোগীর শরীরে হামের পজিটিভ শনাক্ত হয়েছে, যার মধ্যে প্রথম রোগীটি ঢাকা থেকে এসেছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে।


আজ দুপুরে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে সরেজমিনে দেখা গেছে, ২০ শয্যার শিশু ওয়ার্ডে তিল ধারণের জায়গা নেই। ওয়ার্ড ছাড়িয়ে বারান্দায় ঠাঁই নিয়েছে অসুস্থ শিশুরা। হামের উপসর্গ থাকা রোগীদের জন্য দোতলায় পৃথক আইসোলেশন ওয়ার্ড খোলা হলেও সেখানেও শয্যা সংকট প্রকট। অনেক বিছানায় দুটি করে শিশুকে রাখা হয়েছে।

হাসপাতালে ভর্তি থাকা শিশুদের স্বজনরা চরম ভোগান্তির অভিযোগ তুলেছেন। সদর উপজেলার ঝাউদিয়া থেকে আসা মিতু খাতুন জানান, সিরিঞ্জ থেকে শুরু করে জ্বরের সিরাপ—সবই বাইরে থেকে কিনতে হচ্ছে। প্রতিদিন গড়ে ১২০০ থেকে ১৫০০ টাকা খরচ হচ্ছে। নার্সরা জানিয়েছেন, স্টোরে পর্যাপ্ত সরবরাহ না থাকায় তারা রোগীদের ওষুধ দিতে পারছেন না।


কুষ্টিয়ার সিভিল সার্জন শেখ মোহাম্মদ কামাল হোসেন বলেন, "রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। সব হাসপাতালে ‘হাম আইসোলেশন কর্নার’ খোলা হয়েছে এবং বিশেষ নজরদারিতে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।"

জেলা প্রশাসক তৌহিদ বিন-হাসান জানিয়েছেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং সাধারণ মানুষকে সচেতন করতে এলাকায় এলাকায় মাইকিং করার ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।



দৈনিক নতুন আলো

প্রকাশক : সাদিয়া নূর পূর্ণ
সম্পাদক : নাহিদ হোসেন
নির্বাহী সম্পাদক : মোঃ ছিরু মিয়া

কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত দৈনিক নতুন আলো